Message
ডাঃ মোঃ সুলতান উদ্দিন আহমেদ
Founder
নরসিংদীতে একটি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, ব্যবসায়ী ও হোমিওঅনুরাগী ব্যক্তিবর্গ দীর্ঘদিন যাবৎ ইচ্ছা, চেষ্টা ও কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ১৯৮৫ সালের প্রথম দিকে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় নরসিংদীতে একটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত নীতিগত ভাবে গৃহীত হয়। দায়িত্ব আসে জনাব ডাক্তার সুলতান উদ্দিন আহমেদের উপর। দায়িত্ব প্রাপ্তির পর বি.এফ.আই. হোমিও কলেজ ও হাসপাতাল নরসিংদী নামে নাম করণ করে দক্ষিণ কারারদী মৌজার এস.এ ৭৭, হালে ৪০৭ দাগে ৩০ শতাংশ জমি প্রতিষ্ঠানের নামে বায়নানামা করেন এবং অর্থ সংগ্রহের জন্য ১৯৮৫ইং সালে অর্থ আদায়ের রসিদ ছাপানো হয় ও অর্থ সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়। পরবর্তীতে বিগত ০১/০৮/১৯৮৮ইং তারিখে প্রতিষ্ঠানের নামে উপরোক্ত ৩০ শতাংশ জমি নিরুপন দলিল সম্পাদন করেন, নরসিংদী জেলা প্রশাসক মহোদয়কে সভাপতির পদ অলংকৃত করিয়া (১) জেলা প্রশাসক (২) ডাঃ জয়নুল আবেদীন (৩) ডাঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা (৪) আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন (৫) বাবু চাঁদ মোহন মালাকার (৬) ডাঃ আলী হোসেন (৭) ডাঃ মোঃ সুলতান উদ্দিন আহমেদ (জমিদাতা/প্রতিষ্ঠাতা) সমন্বয়ে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি এবং প্রতিষ্ঠানের রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ তৎকালীন ১০০০ (এক হাজার) টাকা পে অর্ডারসহ কলেজ স্বীকৃতির জন্য চেয়ারম্যান বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ঢাকার বরাবরে আবেদন বিগত ০৮/০৮/৮৮ইং তারিখে পেশ করা হয়। শুরু হয় গণসংযোগ।
দেশের বিভিন্ন সময়ে পট পরিবর্তনের কারণে হোমিওপ্যাথির নতুন নীতি মালা জারী করা হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মাত্র ১টি হোমিও প্রতিষ্ঠান অনুমোদন প্রাপ্ত হয়। ২০০০ সালের প্রথম দিকে নরসিংদী শহরের কিছু সংখ্যক হোমিও অনুরাগী যেমন লোকমান হোসেন, ডাঃ নজরুল ইসলাম সরকার, ডাঃ জয়নুল আবেদীন, ডাঃ আমিরুল ইসলাম সরকার, ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম সরকার স্বপন, ডাঃ রমজান আলী প্রমানিক, ডাঃ মোতালিব মিয়া, ডাঃ প্রাণতোষ সরকার, ডাঃ মোঃ নাজমুল ইসলাম কাওসার, ডাঃ মোঃ আব্দুল হান্নান, ডাঃ ফজলুর রহমান, ডাঃ সঞ্জয় কুমার মালাকার, ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান, জনাব কাজী মোহাম্মদ আলী, মোঃ মিজানুর রহমান মাষ্টার, ডাঃ মোঃ আব্দুল হাই, ডাঃ নূর মোহাম্মদ, ডাঃ নাসির উদ্দিন মোল্লাসহ আরো অনেকে একত্রিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করায় এখানে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হলে উহা একটি পূর্ণাঙ্গ হোমিওপ্যাথি প্রতিষ্ঠান রূপধারণ করে।
ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রী ঢাকা ফেডারেল হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের অধীনে চূড়ান্ত পরীক্ষার অংশগ্রহণ করতে থাকে। ২০০১ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির স্বীকৃতি লাভে বিলম্ব হইলে এই উদ্যোক্তোদের মধ্য হইতে অনেকেই সরে দাঁড়ান। এদিকে নতুন করে প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি/অনুমোদনের কাজ জোরালো করে ২০০০ সাল থেকে ডাঃ মোতালিব মিয়া (অধ্যক্ষ), ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম সরকার স্বপন (উপাধ্যক্ষ) ও ডাঃ প্রাণতোষ কান্তি সরকার দায়িত্বভার নিয়ে পারদর্শিতা ও অভিজ্ঞতার সাথে কাজ করে নতুন করে কলেজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রবীণ চিকিৎসক ডাঃ জয়নুল আবেদীন (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ) এর উপর দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়।
অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার পর ২২ মে, ২০০৬ সালে অনুমোদনসহ প্রতিষ্ঠানটি সরকারী স্বীকৃতিলাভ করে। ২০ মে, ২০০৪ সালে ডাঃ মোঃ জয়নুল আবেদীন পরলোক গমন করেন। জীবদ্দশায় অনুমোদন দেখে যেতে পারেন নাই। ২০০৫-২০০৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি চলে। ২০০৬-২০০৭ শিক্ষা বর্ষ হতে অত্র প্রতিষ্ঠানের আওতায় ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি শুরু হয় এবং বিগত ৩ বৎসর যাবৎ এই প্রতিষ্ঠানের অধীনেই ছাত্র/ছাত্রীগণ নিয়মিত পাঠ গ্রহণসহ চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে আসছে।
নরসিংদী পৌরসভাধীন বাসাইলে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান। বর্তমান সম্পদের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। জমির পরিমাণ ৪৫.১২৫ শতাংশ, অনুমোদিত শিক্ষকের সংখ্যা মোট ১২ জন, ছাড়াও অফিস কর্মচারী, হাসপাতালের ডাক্তার ও লাইব্রেরীর দায়িত্বে বিধি সম্মত সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। ইহা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত, সরকারী অনুমোদন প্রাপ্ত ও গেজেটভুক্ত একটি নির্ভরযোগ্য শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ইহা নরসিংদীবাসীর গৌরব। ইহার প্রতি সর্বসাধারণের সু-দৃষ্টি একান্তভাবে কাম্য। আমি ইহার দিন দিন উন্নতি কামনা করি। মহাত্মা ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের জন্ম বার্ষিকী পালন করার মহত উদ্যোগ গ্রহণ করায় নরসিংদী জেলা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী সমিতিকে নরসিংদী বেগম ফটিকুন্নেছা ইদ্রিস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ডাঃ মোঃ সুলতান উদ্দিন আহমেদ
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
নরসিংদী বেগম ফটিকুন্নেছা ইদ্রিস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,
বাসাইল, নরসিংদী।
দেশের বিভিন্ন সময়ে পট পরিবর্তনের কারণে হোমিওপ্যাথির নতুন নীতি মালা জারী করা হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মাত্র ১টি হোমিও প্রতিষ্ঠান অনুমোদন প্রাপ্ত হয়। ২০০০ সালের প্রথম দিকে নরসিংদী শহরের কিছু সংখ্যক হোমিও অনুরাগী যেমন লোকমান হোসেন, ডাঃ নজরুল ইসলাম সরকার, ডাঃ জয়নুল আবেদীন, ডাঃ আমিরুল ইসলাম সরকার, ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম সরকার স্বপন, ডাঃ রমজান আলী প্রমানিক, ডাঃ মোতালিব মিয়া, ডাঃ প্রাণতোষ সরকার, ডাঃ মোঃ নাজমুল ইসলাম কাওসার, ডাঃ মোঃ আব্দুল হান্নান, ডাঃ ফজলুর রহমান, ডাঃ সঞ্জয় কুমার মালাকার, ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান, জনাব কাজী মোহাম্মদ আলী, মোঃ মিজানুর রহমান মাষ্টার, ডাঃ মোঃ আব্দুল হাই, ডাঃ নূর মোহাম্মদ, ডাঃ নাসির উদ্দিন মোল্লাসহ আরো অনেকে একত্রিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করায় এখানে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হলে উহা একটি পূর্ণাঙ্গ হোমিওপ্যাথি প্রতিষ্ঠান রূপধারণ করে।
ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রী ঢাকা ফেডারেল হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের অধীনে চূড়ান্ত পরীক্ষার অংশগ্রহণ করতে থাকে। ২০০১ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির স্বীকৃতি লাভে বিলম্ব হইলে এই উদ্যোক্তোদের মধ্য হইতে অনেকেই সরে দাঁড়ান। এদিকে নতুন করে প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি/অনুমোদনের কাজ জোরালো করে ২০০০ সাল থেকে ডাঃ মোতালিব মিয়া (অধ্যক্ষ), ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম সরকার স্বপন (উপাধ্যক্ষ) ও ডাঃ প্রাণতোষ কান্তি সরকার দায়িত্বভার নিয়ে পারদর্শিতা ও অভিজ্ঞতার সাথে কাজ করে নতুন করে কলেজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রবীণ চিকিৎসক ডাঃ জয়নুল আবেদীন (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ) এর উপর দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়।
অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার পর ২২ মে, ২০০৬ সালে অনুমোদনসহ প্রতিষ্ঠানটি সরকারী স্বীকৃতিলাভ করে। ২০ মে, ২০০৪ সালে ডাঃ মোঃ জয়নুল আবেদীন পরলোক গমন করেন। জীবদ্দশায় অনুমোদন দেখে যেতে পারেন নাই। ২০০৫-২০০৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি চলে। ২০০৬-২০০৭ শিক্ষা বর্ষ হতে অত্র প্রতিষ্ঠানের আওতায় ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি শুরু হয় এবং বিগত ৩ বৎসর যাবৎ এই প্রতিষ্ঠানের অধীনেই ছাত্র/ছাত্রীগণ নিয়মিত পাঠ গ্রহণসহ চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে আসছে।
নরসিংদী পৌরসভাধীন বাসাইলে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান। বর্তমান সম্পদের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। জমির পরিমাণ ৪৫.১২৫ শতাংশ, অনুমোদিত শিক্ষকের সংখ্যা মোট ১২ জন, ছাড়াও অফিস কর্মচারী, হাসপাতালের ডাক্তার ও লাইব্রেরীর দায়িত্বে বিধি সম্মত সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। ইহা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত, সরকারী অনুমোদন প্রাপ্ত ও গেজেটভুক্ত একটি নির্ভরযোগ্য শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ইহা নরসিংদীবাসীর গৌরব। ইহার প্রতি সর্বসাধারণের সু-দৃষ্টি একান্তভাবে কাম্য। আমি ইহার দিন দিন উন্নতি কামনা করি। মহাত্মা ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের জন্ম বার্ষিকী পালন করার মহত উদ্যোগ গ্রহণ করায় নরসিংদী জেলা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী সমিতিকে নরসিংদী বেগম ফটিকুন্নেছা ইদ্রিস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ডাঃ মোঃ সুলতান উদ্দিন আহমেদ
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
নরসিংদী বেগম ফটিকুন্নেছা ইদ্রিস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,
বাসাইল, নরসিংদী।